Welcome to Juteeco…
মানুষ সৃষ্টির লক্ষ্য
মানুষকে স্রষ্টা কেবলি তাঁর ইবাদত বা দাসত্বের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আবার তিনি এই মানুষকেই তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছেন। অর্থাৎ, স্রষ্টার প্রতিনিধিত্বের কাজ যথাযথভাবে করাই দাসত্বের পদ্ধতি।
এখন, স্রষ্টার প্রতিনিধিত্বের সেই কাজ সম্পন্ন করতে হলে প্রত্যেক মানুষকেই মূলত অপরাপর মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে, আর তা অবশ্যই হতে হবে স্রষ্টার অনুমোদিত পন্থায়, তাঁর মনোনিত পয়গম্বরের দেখানো পদ্ধতির আলোকে, নির্ধারিত ইনসাফের মানদন্ডে।
স্রষ্টা ইচ্ছা করলেই দুনিয়াতে প্রত্যেক মানুষকে তার যাবতীয় মৌলিক চাহিদা শতভাগ পূরণ করেই দুনিয়ায় পাঠাতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি, বরং নিজের ক্ষমতা ও সিফাত সামান্য পরিমাণে মানুষের রূহে ফুঁকে দিয়েছেন আর প্রয়োজনীয় সকল নিয়ামতে দুনিয়াকে সজ্জিত করে মানুষকে পাঠালেন সেখানে সাপ্লাই চেইন ও বন্টন ব্যবস্থায় ইনসাফ কায়েমে নিজের প্রতিনিধি করে। পাশাপাশি অনুগত করে দেয়া হলো বিশেষ শ্রেণীর ফেরেশতাদের, যারা মানুষের স্বাধীন ইচ্ছার বাস্তবায়নে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে স্রষ্টার নির্দেশেই বাধ্য, হোক সে ইচ্ছা ভালো কিংবা মন্দ!
যার সালাত নাই, তার ঈমান নাই
সালাত ঈমানের অংশ
সত্যান্বেষী মানুষ তার চারপাশে বিরাজমান সৃষ্টির মাঝে স্রষ্টার রুবুবিয়্যাতের স্পষ্ট নিদর্শন দেখে অন্তরে যে বিশ্বাস স্থাপন করে, ঈলমুল গায়েব দ্বারা তা সমৃদ্ধ হয়ে তা স্রষ্টার উলুহিয়্যাতের স্বীকৃতি দিয়ে পূর্ণতা পায়। বিশ্বাস ও স্বীকৃতির মধ্য দিয়ে এই যে ঈমানের সাক্ষ্য, তা মুলত পূর্ণতা পায় প্রয়োগিক ধাপে কর্মীয় সাদৃশ্যের মধ্য দিয়ে। ঈমানের আলোকে আ'মল সঠিক হলে তাকে আমলে সালেহ বলা হয়, অন্যথায় ঈমানের প্রাথমিক সাক্ষ্য মুনাফেকী ও ফাসেকীতে পর্যবসিত হয়!
Add Your Heading Text Here
মানুষকে স্রষ্টা কেবলি তাঁর ইবাদত বা দাসত্বের জন্য সৃষ্টি করেছেন। আবার তিনি এই মানুষকেই তাঁর প্রতিনিধি হিসেবে মনোনীত করেছেন। অর্থাৎ,…